1. mail@taher.com.bd : admin :
  2. mbeanibazar@gmail.com : admininstaff :
  3. somoychitro@gmail.com : foyzul huque : foyzul huque
  4. habibaakther939@gmail.com : রিপোর্টার : হাবিবা আক্তার
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মোহাম্মদপুরে আওয়ামী যুব মহিলা লীগ নেত্রী নুসরাত জাহান পর্না’র বাসায় হামলা কসকনকপুর শ্যামলী প্রবাসী ঐক্য পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন ডিআইজির নির্দেশে বিয়ানীবাজারে পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট ও সাড়াঁশি অভিযান বিয়ানীবাজারে বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতে উচ্ছ্বসিত বিয়ানীবাজারের আমিনুল এনআইডি সংশোধন: ঢাকায় ডেকে চরম ভোগান্তিতে ফেলেছে ইসি ইটালী যাত্রা ইস্যু: বিয়ানীবাজারে দেলওয়ার-পাওনাদার পাল্টাপাল্টি মামলা বিয়ানীবাজারে ধান রক্ষায় কৃষকদের প্রাণপণ চেষ্টা ‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ শ্লোগানে মুখর সিলেটের বাসিয়ার তীর প্রকল্প বন্ধ: অলস পড়ে আছে বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সরকারি গাড়ি বিএনপি সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে জামায়াত এনসিপি ঐক্যবদ্ধ

শেখ হাসিনা স্বৈরাচারী মনোভাব তীব্র হচ্ছে, এর বাস্তবায়ন করছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা

‍স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশিত : বুধবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৩

সালমা আক্তার বৃষ্টি:

আওয়ামীলীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা দিন দিন ক্ষমতার লোভে পাগল হয়ে যাচ্ছে। যত সময় যাচ্ছে তার স্বৈরাচারী মনোভাব তীব্র হচ্ছে। আর এর বাস্তবায়ন করছে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা।

২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসর পর থেকেই তার ভিতরে স্বৈরাচারী মনোভাব সৃষ্টি হয়। ক্ষমতায় ঠিকে থাকতে সে দেশের সকল বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়ন চালিয়েছে যাচ্ছে। ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের কর্মীদের গণহারে গ্রেপ্তার সহ গুম ও খুন করছে তার প্রশাসন।

তার পিতা শেখ মুজিবও স্বাধীনতার পর রাজতন্ত্র কায়েমের জন্য চেষ্টা শুরু করেছিলেন।
১৯৭৫ সালে এক সামরিক অভ্যুত্থানের পর স্বপরিবারে হত্যাকান্ডের শিকার হন তিনি। সেসময় শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহেনা দেশের বাইরে ছিলেন। তার পরিবারের সকলে নিহত হওয়ার পর বেশ কয়েক বছর ভারতে অবস্থান করে ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের নেতা নির্বাচিত হন শেখ হাসিনা।

পরবর্তীতে ২০০৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত দুই বছর সেনা শাসনের পর পুনরায় বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসেন শেখ হাসিনা। ২০০৯ সালে হাসিনার ক্ষমতায় আসার পরপরই ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহ হয়। বিডিআর বিদ্রোহ চলাকালে বিডিআরের তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জনকে হত্যা করা হয়। এর বেশির ভাগ সেনা কর্মকর্তা ছিলেন বিএনপির সহ অন্য ঘরানার লোক। এই বিডিআর বিদ্রোহ হাসিনা ভারতের পরামর্শে ও নিজের ক্ষমতা টিকে রাখতে করেন। যা অনেকের কাছে আয়নার মত পরিস্কার।

এরপর তিনি তার গুন্ডা বাহীনি আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ সহ পুলিশ র‍্যাব সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দিয়ে বিরোধী দলগুলোর ওপর দমন-পীড়ন শুরু করেন। গণহারে গ্রেপ্তার করেন বিরোধী নেতাকর্মীদের। এছাড়া তার সময়ে অনেক মানুষ গুম হয়েছে, যাদের খোঁজ আজও মেলেনি। গুম হওয়া নেতাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট-২ আসনের সাবেক এমপি এম. ইলিয়াস আলী, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদ, ওয়ার্ড কাউন্সিলর চৌধুরী আলম। যাদের মধ্যে অনেককে খুন করা হয়েছে, আর অনেকের খোঁজ আজও মেলেনি।

এছাড়া একসময় তিনি নিজে তত্ত্ববধায়ক সরকারের জন্য আন্দোলন করলেও তার আমলে বিরোধী দলের এই দাবি মেনে নেননি। এতে তার সময়ে হওয়া সকল নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ ওঠে। বাংলাদেশে তার অধীনে ২০১৪, ২০১৮ সালের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যা ব্যাপকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। এসব নির্বাচন আগ থেকেই আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে বন্দোবস্ত করা ছিল। লোক দেখানো এসব নির্বাচনে রাতেই সব ভোট হয়ে গিয়েছিল।

বিএনপিকে ধ্বংস করে দিতে শেখ হাসিনা বিরোধী দলের নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে দুর্নীতির মামলায় বিচারের মুখোমুখি করেন। তাঁকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
শুধু তাই নয়, খালেদা জিয়ার ছেলে তারুণ্যের অংকার তারেক জিয়ার উপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। ২০০৭ সালের ৭ মার্চ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক কালো অধ্যায় রচিত হয়েছিল। এই দিনে বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে কথিত দুর্নীতির মামলায় আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের মইনুল রোডের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং এরপর তিনি অমানবিক নির্যাতনের শিকার হন। তারেক রহমানকে নির্যাতনের ফলে তার মেরুদণ্ডের ছয় ও সাত নম্বর হাড় ভেঙে গেছে এবং আরও কয়েকটি হাড় বেঁকে গেছে। মেরুদণ্ডের ৩৩টি হাড়ের মাঝে দূরত্ব কমে গেছে।

শুধু তাই নয় বাংলাদেশে যত চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ রয়েছে সবগুলোই শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগের। শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী মনোভাব বাস্তবায়নে তারাও প্রতিনিয়ত মাঠে রয়েছে। শেখ হাসিনার এমপি মন্ত্রীরা প্রতিনিয়ত দুর্নীতিতে প্রতিযোগিতা করছে। আর এর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সাহায্য করছে শেখ হাসিনা নিজেই।

আইনশৃঙ্খলা বাহীনী সহ সরকারের প্রতিটি সেক্টরকে দলীয় করণে ইতিমধ্যেই শেখ হাসিনা অনেকটা সফল। ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে নির্বাচন কমিশন সহ দেশের প্রতিটি সেক্টরে শেখ হাসিনা দলীয় লোক বসিয়ে দিয়েছে। পরিশেষে এটাই বলতে চাই অন্ধকারের পর আলো আসবেই। রাতের পর দিন আসবেই। শেখ হাসিনারও একদিন পতন হবেই।

লেখক: সালমা আক্তার বৃষ্টি
সদস্য, জৈন্তাপুর উপজেলা বিএনপি

Share this news as a Photo Card

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

© ২০২৪ নিউজমিরর২৪.কম সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

বিএনপি সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে জামায়াত এনসিপি ঐক্যবদ্ধ

15 April 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
newsmirror24.com