1. mail@taher.com.bd : admin :
  2. mbeanibazar@gmail.com : admininstaff :
  3. somoychitro@gmail.com : foyzul huque : foyzul huque
  4. habibaakther939@gmail.com : রিপোর্টার : হাবিবা আক্তার
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মোহাম্মদপুরে আওয়ামী যুব মহিলা লীগ নেত্রী নুসরাত জাহান পর্না’র বাসায় হামলা কসকনকপুর শ্যামলী প্রবাসী ঐক্য পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন ডিআইজির নির্দেশে বিয়ানীবাজারে পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট ও সাড়াঁশি অভিযান বিয়ানীবাজারে বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতে উচ্ছ্বসিত বিয়ানীবাজারের আমিনুল এনআইডি সংশোধন: ঢাকায় ডেকে চরম ভোগান্তিতে ফেলেছে ইসি ইটালী যাত্রা ইস্যু: বিয়ানীবাজারে দেলওয়ার-পাওনাদার পাল্টাপাল্টি মামলা বিয়ানীবাজারে ধান রক্ষায় কৃষকদের প্রাণপণ চেষ্টা ‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ শ্লোগানে মুখর সিলেটের বাসিয়ার তীর প্রকল্প বন্ধ: অলস পড়ে আছে বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সরকারি গাড়ি বিএনপি সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে জামায়াত এনসিপি ঐক্যবদ্ধ

গণজাগরণ মঞ্চের কুশীলবরা কে কোথায়?

ডেস্ক নিউজ:
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৪

ডেস্ক প্রতিবেদন:
২০২৪ সালে আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মুক্তিযোদ্ধাদের উপর আক্রমণ শুরু হয়। জামাত-শিবির ও হেফাজত সমর্থিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ১৯৭১ এর মুক্তি যুদ্ধের নাম নিশান মুছে দিতে উদ্যত। তাই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে ২০১৩ সালে তৈরী হয় আন্দোলন ” গণজাগরণ মঞ্চ” এর এক্টিভিস্টরা নির্যাতনের স্বীকার হচ্ছেন। মিথ্যে মামলা, বাড়ি ঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর, জোরপূর্বক চাকুরিচ্যুত করা হচ্চে। যারা ইতোপূর্বে দেশ থেকে পলাতক রয়েছেন তারা মানবেতর জীবন যাপন করছেন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে । বর্তমানে দেশে ফেরার কথা স্বপ্নেও ভাবছেন না তারা। তাদের কয়েকজনের করুন পরিণতির গল্প এ প্রতিবেদনে উল্লেখ করছি।

২০১৩ সালের শাহবাগ আন্দোলন (অন্যান্য নাম: শাহবাগ গণদাবি, শাহবাগ আন্দোলন, শাহবাগ গণ-অবরোধ, গণজাগরণ মঞ্চ) বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার শাহবাগে ফেব্রুয়ারির ৫ তারিখ শুরু হয়। এদিন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করে। কবি মেহেরুন্নেসাকে হত্যা, আলুব্দি গ্রামে ৩৪৪ জন মানুষ হত্যা সহ মোট ৬টি অপরাধের ৫টি প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করে। কিন্তু এতোগুলো হত্যা, ধর্ষণ, সর্বোপরী গণহত্যা ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে বাংলাদেশের জনসাধারণ মেনে নিতে পারেনি। রায়ের প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিপুল সংখ্যক মানুষ ঢাকার শাহবাগে জড়ো হতে শুরু করে এবং এর অনুসরণে একসময় দেশটির অনেক স্থানেই সাধারণ মানুষের বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়। স্বাধীনতার পর গত ৫৪ বছরের ইতিহাসে দেশে যেসব সফল আন্দোলন হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে শাহবাগের ‘গণজাগরণ মঞ্চ’ অন্যতম।
এতে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কাদের মোল্লার বিরূদ্ধে ট্রাইব্যুনাল-২ এর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায়ের প্রতিবাদ জানান তারা। কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে ব্লগার অ্যান্ড অনলাইন এক্টিভিস্ট নেটওয়ার্কের ব্যানারে বিকাল চারটার পর এক সমাবেশ করেন তারা।

এরপর সময় যত গড়িয়েছে এই তরুণদের সঙ্গে যোগ দেয় বিভিন্ন পেশার হাজারো জনতা। দাবি আদায়ে ওই দিন বিকেলে শাহবাগে শুরু হওয়া অবস্থান কর্মসূচি রাতে পরিণত হয় সড়ক অবরোধে। কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে স্লোগান ওঠে লক্ষ কণ্ঠ।
মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার:
ইমরান এইচ সরকার একজন সাধারণ চিকিৎসক থেকে রাতারাতি হিরো বনে যান। গণজাগরণ মঞ্চ গড়ে উঠলে সেটির মুখপাত্র তথা আহ্বায়ক হন।
আওয়ামী লীগ সরকারকে যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লাকে ফাঁসির রায় কাযকর করার জন্য শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ গড়ে তুলে ও আন্দোলনকে বেগবান ও সফল করে তুলেন মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার ও তার সঙ্গীরা। দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় এর কমিটি গঠনের করেন তখন।
এরপর ২০২৩ সালের গোড়ার দিকে বাংলাদেশে জামাত- শিবির , হেফাজত ও মৌলবাদীদের হাত থেকে নিজের জীবন বাঁচাতে আমেরিকা পাড়ি জমান। বর্তমানে অতিগোপনীয়তা রক্ষা করে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন ইমরান এইচ সরকার।

অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল :
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিরোধিতায় আলোচিত-সমালোচিত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক, কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের কুশীলবদের অন্যতম। মুক্তবুদ্ধির চর্চার নামে বিগত দেড় যুগে ফ্যাসিবাদ শাসন ও জুডিশিয়াল কিলিংয়ের পক্ষে যারা লেখালেখি করেন, তাদের অগ্রভাগে ছিলেন তিনি। পত্রপত্রিকায় এটিকে গৌরবান্বিত করে অসংখ্য নিবন্ধও লেখেন। সরাসরি মঞ্চে হাজির হয়ে আন্দোলনকারীদের ত্রাতা সেজেছিলেন। জুলাই বিপ্লবের পর তিনি কোথায় আছেনÑ তা নিয়ে ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে।
জাফর ইকবাল শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক। তার স্ত্রী অধ্যাপক ইয়াসমিন হকও ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। জুলাই বিপ্লবের বিরোধিতা করে মতামত প্রকাশের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা জাফর ইকবালকে ক্যাম্পাসে আজীবন নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। বিপ্লবের পর মানবতাবিরোধী ও গণহত্যার মামলায় জাফর ইকবালসহ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।

শাহরিয়ার কবির :
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত লেখক ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির ছিলেন মঞ্চের কুশীলবদের অন্যতম। জুলাই বিপ্লবের পর ১৬ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার হন তিনি। বর্তমানে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন। ২০১৩ সালে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ‘নির্বিচারে হত্যা এবং লাশ গুম করে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের’ অভিযোগে করা মামলার অন্যতম আসামি শাহরিয়ার কবির।
দীর্ঘদিন থেকে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির কার্যক্রম নিয়ে সোচ্চার ছিলেন তিনি। ১৯৯৪ সালে জাহানারা ইমামের মৃত্যুর পর তিনি কমিটির সভাপতি হন। ২০২৪ সাল পর্যন্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরে তাকে উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি করা হয়। ছাত্রজীবন শেষে শাহরিয়ার কবির ১৯৭২ সালে সাপ্তাহিক বিচিত্রার সাংবাদিক এবং পরে তিনি নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ:
আওয়ামী সরকারের সবচেয়ে আস্থাভাজন ও কওমি অঙ্গনের আলেম ছিলেন মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ। ২০১৩ সালে গণজাগরণ মঞ্চে উপস্থিত হওয়ায় ‘শাহবাগী আলেম’ হিসেবেও পরিচিতি পান তিনি। বিশেষ করে যুদ্ধাপরাধী ও জামায়াতের বিরুদ্ধে তিনি সব সময় সোচ্চার ছিলেন।
সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্কের সুবাদে তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসের গভর্নর এবং ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহের ইমাম নিযুক্ত হন। কওমি-সংশ্লিষ্ট জাতীয় দ্বীনি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বাংলাদেশ ও ধর্মীয় দল বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার সভাপতি এবং ‘ইকরা বাংলাদেশ’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালকের পদও পান।
৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর স্বাভাবিক দৃশ্যপট থেকে তিনি হারিয়ে গেছেন। সরকারি সব পদ থেকে বিতাড়িত হয়েছেন। কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজাবে রহমত আমার দেশকে বলেন, ফরীদ উদ্দীন শোলাকিয়ার ইমাম পদে নেই। তার ব্যক্তিগত মোবাইলে একাধিকবার কল করলেও রিসিভ করেননি। তার কর্মস্থল দ্বীনি মাদরাসা বোর্ডের মহাসচিব মুফতি মোহাম্মদ আলী আমার দেশকে জানান, ফরীদ উদ্দীন মাসউদ দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। তিনি বারিধারার বাসায় থাকেন। মাদরাসা বা কোনো প্রোগ্রামে তার অংশগ্রহণের মতো অবস্থা নেই।
গত বছরের ৫ আগস্ট মিরপুর সরকারি কলেজের এইচএসসি শিক্ষার্থী রিতা আক্তার (১৭) নিহতের ঘটনায় মাসউদের বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় উদ্দেশ্যমূলকভাবে হত্যা মামলা হয়। বর্তমানে তিনি মিথ্যে হত্যা মামলার আসামি হয়ে পলাতক রয়েছেন।

বাপ্পাদিত্য বসু :
ছাত্রমৈত্রীর কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি বাপ্পাদিত্য বসু গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠকদের একজন। যশোরের সদর উপজেলার রুপদিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ২০১৩ সালের ৮ ফেব্রুয়ারির সমাবেশে বাপ্পাদিত্য বসু ব্লগার পরিচয়ে মঞ্চ থেকে ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের উপযুক্ত বিচার নিশ্চিত করতে সোচ্চার ছিলেন তিনি ।
গত ১৭ জানুয়ারি ঢাকার নিউমার্কেট এলাকা থেকে মিথ্যে মামলায় বসুকে (৪০) গ্রেপ্তার করে পুলিশ । এরপর থেকে যশোর কারাগারে বন্দি রয়েছেন তিনি।

লাকি আক্তার :
‘স্লোগান কন্যা’ পরিচিতি পাওয়া লাকি আক্তার মঞ্চের সংগঠকদের একজন। ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি লাকির জন্ম ফেনীর সোনাগাজী থানায়। ওই সময় ‘গণজাগরণ মঞ্চ’ ঘিরে শাহবাগ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় যোদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে তিনি ছিলেন সোচ্চার ও স্কগেন কন্যা হিসেবে তিনি বেশ পরিচিত ছিলেন ।

অন্যদের মতোই দীর্ঘদিন চুপচাপ থাকার পর গত ১২ মার্চ সারা দেশে ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে গণজাগরণ মঞ্চের নেতাকর্মীরা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ঘেরাও করতে গেলে পথে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এ সময় লাকি সোহো কয়েকজনকে বিভিন্ন মামলার আসামি বানিয়ে সরকারের নির্দেশে তাদের প্রতিহত করার চেষ্টা করে পুলিশ। এ ঘটনায় মামলায় আসামি হিসেবে বামপন্থি কয়েকটি ছাত্রসংগঠনের ১২ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
এরপর থেকেই গণজাগরণ মঞ্চের লাকিকে গ্রেপ্তারের দাবি উঠেছে সর্বমহলে। জামাত -শিবির ও হেফাজতে ইসলাম সমর্থিত সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারকারীরা লাকিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে একের পর এক পোস্ট দেন। বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিল করেন তৌহিদী জনতার ব্যানারে জামাত -শিবির ও হেফাজতে ইসলাম। এরপর থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন লাকি।

আব্দুল কালাম :
একজন মুক্তবুদ্ধি চর্চার সামাজিক কর্মী হিসেবে আব্দুল কালামের পরিচিত সিলেটের বাইরেও প্রচন্ড ইতিবাচক। দেশ মাতৃকার প্রতি তাঁর অগাধ সম্মান। সামাজিক দ্বায়িত্ববোধ থেকে তিনি ২০১৩ সালের “গণজাগরণ মঞ্চ” এর সাথে একাত্বতা ঘোষণা করে যুদ্ধাপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তি ফাঁসির দাবিতে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। সিলেটে “গণজাগরণ মঞ্চের” হয়ে তিনি অনেক আন্দোলন, মিছিল , সভায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। পরে ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে হেফাজতে ইসলামের নেতাদের কর্তৃক তিনি হামলা ও মৃত্যুর হুমকি পান। অনেক নিপীড়ন ও নির্যাতন স্বীকার করে দেশে পলাতক থেকে পরে তিনি নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তার জন্য পরিবার নিয়ে কানাডা পালিয়ে যান। বর্তমানে তিনি কানাডায় রয়েছেন।

সিদ্দিকী নাজমুল আলম:
শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ গঠিত হলে সরাসরি অংশ সিদ্দিকী নাজমুল। গণজাগরণ মঞ্চের সম্মুখভাগের নেতা ছিলেন সিদ্দিকী নাজমুল আলম।
গণজাগরণ মঞ্চের একনিষ্ঠ এই কর্মী যোবনের নিরাপত্তায় বর্তমানে ব্রিটেনের লন্ডনে রয়েছেন।

Share this news as a Photo Card

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

© ২০২৪ নিউজমিরর২৪.কম সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

বিএনপি সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে জামায়াত এনসিপি ঐক্যবদ্ধ

15 April 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
newsmirror24.com