
টিকা নেওয়ার জন্য আবেদন লিংক https://vaxepi.gov.bd/registration ওয়েবসাইটে গিয়ে ১৭ ডিজিটের অনলাইন জন্মনিবন্ধন নম্বর দিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। তবে যাদের অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ নেই, তাদেরও বিশেষভাবে তালিকাভুক্ত করে টিকা দেওয়া হবে।
কেন টিকা দিবেন আসুন জেনে নেই টিকাদান কর্মসূচি সম্পর্কে ।
টিকা গ্রহণের সুবিধা
বাংলাদেশে নারীদের ক্যান্সারজনিত মৃত্যুর মধ্যে জরায়ুমুখ ক্যান্সার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
এইচপিভি টিকা জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
৫ম থেকে ৯ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছাত্রী অথবা ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহির্ভূত কিশোরীদের জন্য এই টিকা অধিকতর কার্যকর।
জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকার একটি ডোজই যথেষ্ট।
এইচপিভি টিকা বিশ্বব্যাপী পরীক্ষিত, নিরাপদ ও কার্যকর।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে এই টিকা বিনামূল্যে প্রদান করা হবে।
টিকা গ্রহণের স্থান
৫ম থেকে ৯ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছাত্রী – অনুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহির্ভূত ১০-১৪ বছর বয়সী কিশোরী – ইপিআই টিকাদান কেন্দ্রে।
টিকাগুলো কারা গ্রহণ করতে পারবেন
৫ম থেকে ৯ম শ্রেণি অথবা সমমানে অধ্যয়নরত ছাত্রী।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহির্ভূত ১০-১৪ বছর বয়সী কিশোরী।
টিকার ডোজ সংখ্যা
১ টি।