স্টাফ রিপোর্টার: সারাদেশের মতো ঘূর্ণিঝড় রেমাল’র প্রভাবে নগরীতে দিনভর গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হয়। ফলে দুর্ভোগ দেখা দেয় জনজীবনে।
সোমবার (২৭ মে) সকাল থেকে ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে সিলেটে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। সোমবার এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি অব্যাহত ছিল। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন জায়গায় খুব একটা কর্মচাঞ্চল্য চোখে পড়েনি।
নগরীর দক্ষিণ সুরমা, বন্দরবাজার, লামাবাজার, চৌহাট্টা, জিন্দাবাজারসহ বিভিন্ন স্থান ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
রবিবার রাত থেকে শুরু হওয়া এ বৃষ্টিতে ভোগান্তিতে পড়েন নানা শ্রেণিপেশার মানুষ। সকাল থেকে অফিসগামী মানুষ, ব্যবসায়ী ও খেটে খাওয়া মানুষ পড়েছিলেন বেকায়দায়। একটানা বৃষ্টির কারণে নগরীর মানুষ সোমবার খুব একটা ঘর থেকে বের হননি। আর যারা বের হয়েছিলেন তারাও কোনোমতে কাজ শেষ করে ঘরে ফিরেন।
সিলেট আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘন্টায় (রোববার সকাল থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত) সিলেটে ১৬.২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। সোমবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে এবং নয়টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ৩ মিলিমিটার ও দুপুর ১২টা থেকে বিকাল তিনটা পর্যন্ত ৮দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে।
এদিকে, গত ২ সপ্তাহ থেকে শুরু হয় তাপপ্রবাহ। শুক্রবার ও শনিবার দিবাগত রাতে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হলেও কমেনি তাপমাত্রা। এছাড়াও মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে সিলেটে চলতি বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪ বার রেকর্ড করা হয়েছে। গত ১৬ মে ৩৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। পরে ২৩ মে বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় ৩৭ দশমিক ৫ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়।
শুক্রবার (২৪ মে) বিকাল ৩টায় ৩৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি ও চলতি বছরের পূর্বের সকল রেকর্ড ভেঙে শনিবার (২৬ মে) বিকাল ৩টায় ৩৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। তবে রোববার বিকেলে ৩৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। ওইদিন বিকাল থেকে সিলেটে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও হালকা বাতাস থাকার ফলে জনমনে অনেকটা স্বস্তি দেখা যায়।