
দোয়ারাবাজার থানাধীন সোনাপুর গ্রামে হাজী আমিনুল হকের বাড়িতে বিগত ৩ ডিসেম্বর আকাশ দাস তার নিজ ফেসবুক আইডি থেকে একটি পোস্ট করে সেই পোস্ট কে কেন্দ্র করে মংলারগাও, সোনাপুর,পান্ডারগাও এসব গ্রামে হামলা ভাংচুর চালায়। এসব বিষয় সমাধানের জন্য সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সালিশ বৈঠক চলাকালীন একপর্যায়ে হাজী আমিনুল হক ও জাবেদ আহমদের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা শুরু হয়।
এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এতে উভয় পক্ষের অনেকেই গুরুতর আহত হন। হাজী আমিনুল হক গ্রুপের মহিউদ্দিন, ফয়েজ, কয়েস, সাজু আহমেদ ও জাবেদ আহমদ গ্রুপের শামীম,আল আমিন , ইমরান হোসেন আহত হয়। পরবর্তীতে দোয়ারাবাজার থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদেরকে দোয়ারা বাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে গেলে সাজু আহমেদকে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। অন্যান্য আহতদের ভর্তি করে চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
পরবর্তীতে ১১/১২/২০২৪ ইং তারিখে হাজী আমিনুল হক বাদী হয়ে সুবীর দাস, দিপু দাস,বিজন কুমার দাস,মো: জাবেদ আহমদ, জাহাঙ্গীর, শামীম, আল আমিন, ইমরান হোসেনের নাম উল্লেখপূর্বক আরও ৭/৮ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এব্যাপারে দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবিদুর রহমান খানের সাথে কথা বললে তিনি জানান যে, হাজী আমিনুল হক বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এজাহার নামীয় আসামিদেরকে গ্রেফতার করতে আমাদের সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আসাকরি খুব শীগ্রই আসামিদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে সক্ষম হব। বর্তমানে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।