
নবীগঞ্জ উপজেলার কবুলেশ্বর গ্রামের ছাত্রদলের নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট রাতে একদল স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মী ছাত্রদল নেতা মো: মিনহাজুল ইসলামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং বাড়িতে ঢুকে হামলা চালায় এবং ব্যাপক ভাঙচুর করে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। এই হামলায় ছাত্রদল নেতার বাড়ির মুল্যবান সামগ্রী ও আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আগুনে পুড়ে চাই হয়ে গেছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং স্থানীয় প্রশাসন নিরব ভুমিকা পালন করেছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ নেতারা এই ঘটনার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছে এবং বলেছেন সরকারবিরোধী অপতৎপরতা এবং আন্দোলনের সাথে জড়িত থাকায় স্থানীয় জনগন এই হামলা করেছে।
উল্লেখ্য আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্র জনতার আন্দোলন চলমান এবং ছাত্রদল নেতা মো: মিনহাজুল ইসলাম সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিতে সব ছাত্রদের মতো আন্দোলনে সিলেট মহানগরীর রাজপথে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন এবং সাবেক সিলেট মহানগর নেতা (লন্ডন প্রবাসী) মো: আজিজুল হকের ভাই।
খোঁজ নিয়ে জানাযায়, একটি ভিডিওতে দেখা গেছে মিনহাজুল ইসলাম সরাসরি রাজপথে আন্দোলনরত। এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরেই তার গ্রামের বাড়িতে এবং ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগ করেছেন ছাত্রদল নেতা মিনহাজুল ইসলাম। স্থানীয় আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য মিলাদ গাজীর বাড়িও একই এলাকায়।
সাংসদ সদস্য মিলাদ গাজীর বাবা (প্রয়াত) দেওয়ান ফরিদ গাজী ৫ বারের নির্বাচিত আওয়ামী সংসদ সদস্য ছিলেন। তাই নবীগঞ্জ উপজেলাকে আওয়ামী লীগের গোলাপগঞ্জের পরেই শক্ত ঘাটি হিসাবে ধরা হয়।
উল্লেখ্য চলমান ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে এক হাজারের বেশি ছাত্র জনতা শহিদ হয়েছে বলে জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।