নিউজ মিরর ডেস্ক: পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং পর্তুগালস্থ স্থানীয় আ’লীগ নেতাকর্মীদের জড়িয়ে অপপ্রচার ও নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ উঠেছে রনি মোহাম্মদ নামের এক কথিত সাাংবাদিকের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে কমিউনিটির মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন, রনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ সরকার ও সরকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জড়িয়ে প্রকাশ্যে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কটুক্তি ও নানা অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।
এ নিয়ে পর্তুগাল আওয়ামী লীগ ও প্রবাসী বাঙালি কমিউনিটিতে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এরই প্রেক্ষাপটে, গত ১৯ জুন রাত ১০টার দিকে একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে লিসবসনের লার্গ দা ইনতেন্দেন্তে পর্তুগাল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ও প্রবাসী কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ রনি মোহাম্মদকে পেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কেন মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করছেন জানতে চাইলে রনি মোহাম্মদ তাদের দিকে ত্যাড়ে আসেন এবং নেতাকর্মীদের বিভিন্ন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এসময় নেতাকর্মীরা তার প্রতিবাদ জানান। শুরুর দিকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে পরে পরিস্থিতি শান্ত হয়।পরবর্তীতে রনি এখান থেকে গিয়ে পর্তুগাল আওয়ামী লীগের ৩ নেতা কর্মীর নাম উল্লেখ করে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন। শুধু তাই নয় এই মামলা করার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আওয়ামী নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে অব্যাহত অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। এ ঘটনায় পর্তুগালস্থ বাংলাদেশ কমিউনিটিতে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন সচেতন মহল থেকে এ ঘটনার নিন্দার ঝড় উঠছে।
এবিষয়ে পর্তুগাল আওয়ামী লীগের শিল্প ও ব্যানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক ডালিম খান বলেন, রনি পর্তুগালে বসে বাংলাদেশের সরকার ও সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অব্যাহত অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। গত ১৯জন একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে তার সাথে দেখা হলে নেতাকর্মীরা এমন অপ্রচার থেকে বিরত থাকতে বলেন। কিন্তু সে নেতাকর্মীদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে ত্যাড়ে আসে। পরে সে ৩জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা দায়ের করেছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
পর্তুগালের বিশিষ্ট ব্যাসায়ী সেবুল আহমদ বলেন, সেদিনের ঘটনার সময় আমি উপস্থিত ছিলাম। রনিকে নেতাকর্মীরা ভালো ভাবেই অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহবান জানিয়েছিলেন। কিন্তু সে রাগান্বিত হয়ে নেতাকর্মীদের মারতে তেড়ে আসে। এর পর নেতাকর্মীদের নামই মিথ্যা মামলা করে। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।
তরুণ উদ্যোক্তা ও যুবলীগ নেতা কওছার আহমদ বলেন, সেদিনে রনি মোহাম্মদ সেই দিন কমিউনিটির সিনিয়র নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে কমিউনিটির ব্যক্তিবর্গকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং উনাকে নিবৃত করার জন্য উপস্থিত জনতা চেষ্টা করেন। কিন্তু পরে জানতে পারি উনি বিষয়টি রাজনীতিকরণ করে আওয়ামী লীগের তিন নেতাকে জড়িয়ে মিথ্যা মামলা দিয়েছেন যা সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট।