
নিজস্ব প্রতিবেদনঃ সিলেট সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ঝর্নারপাড় এলাকায় এক গৃহকর্মীকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছে। নিহত অজিফা বেগম সুনামগঞ্জের ১৬ ঘর এলাকার আমরু মিয়ার মেয়ে। সে বর্তমানে কুমারপাড়া- ঝরনা-২৬ (কলোনী) তে বসবাস করত। এ ঘটনায় অজিফা বেগমের বাবা আমরু মিয়া বাদী হয়ে ১৩ মে রোজ শনিবার সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানায় ৫ (পাঁচ) জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, নিহত অজিফা বেগম মামলার ৩য় আসামি সানজানা আক্তার তানির বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করতেন। সিলেট নগরীর এয়ারপোর্ট রোডের মালনীছড়া চা বাগান থেকে অজিফা বেগমের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত অজিফা বেগম গত ১২ই মে রোজ শুক্রবার তার কাজ শেষ করে বাসায় ফেরার উদ্দ্যেশ্যে রওয়ানা দেয়ার পথে কতিপয় লোকের হাতে অপহরনের স্বীকার হয়। অপহরনের একদিনের মাথায় তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায় ও অজিফার শরীরের বিভিন্ন জাগায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে পুলিশ সুত্রে জানাযায়। এ বিষয়ে উল্লেখ্য যে নিহত অজিফা বেগম ২/৩ বছর যাবত এই মামলার ৩য় আসামী সানজানা আক্তার তানির বাসায় গৃহকর্মী কাজ করে আসছিলেন।
এ ঘটনায় নিহত অজিফার পিতা নিজে বাদী হয়ে ফারুক মিয়া, আসমা খাতুন, সানজানা আক্তার তানি, মনির মিয়া এবং নাসিরসহ অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে সিলেট কতোয়ালী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। নিহত অজিফার বাবার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি অভিযোগ করেন তাহার মেয়েকে অপহরণ করে হত্যা করা হয় ফারুক মিয়ার নির্দেশে। এবং এই হত্যার সাথে জড়িত সানজানা আক্তার তানি। আমার মেয়ে তাদের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতো। আমার মেয়ে আমাকে কয়েকদিন যাবত বলতেছে সানজানা আক্তার তানি তাকে বিভিন্ন প্রলোভণ দেখিয়ে অনৈতিক কাজে প্রস্তাব দিয়ে আসছে।
উক্ত থানার অফিসার ইনচার্জ আখতারুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনায় জড়িত সবাইকে শনাক্ত করে শীঘ্রই আইনের আওতায় নিয়ে আসার কাজ চলছে।