
মো:আনিসুর রহমান
‘‘উৎপাদনের উপায়ে তখন আর কোন লোকের ব্যক্তিগত মালিকানা নেই। উৎপাদনের উপায় হল সমগ্র সমাজের সম্পত্তি । সমাজের প্রতিটি সদস্য সমাজগ্রাহ্য কাজের নির্দিষ্ট একটা অংশ সম্পন্ন করে সমাজের কাছ থেকে এই প্রত্যয়পত্র পায় যে, সে অমুক পরিমাণ কাজ করেছে । এই প্রত্যয়নপত্র অনুসারে সে ভোগ্যবস্তুর সামাজিক ভান্ডার থেকে পায় যথাযোগ্য পরিমাণ সামগ্রী। সামাজিক তহবিলে দেয় শ্রম বাদ দিয়ে, প্রতিটি শ্রমিক সেই জন্য সমাজকে যতটা দেয়, সে নিজে ততটা পায়।’’ ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন কমিউনিস্ট সমাজের প্রথম পর্যায় বা নিম্নপর্যায় এভাবেই তুলে এনেছেন তার ‘‘রাষ্ট্র ও বিপ্লব’’ বইয়ে । এবং কমিউনিস্ট সমাজের উচ্চতর পর্যায় সম্পর্কে স্বয়ং কার্ল মার্কস বলেছেন ‘‘কমিউনিস্ট সমাজের উচ্চতর পর্যায়ে শ্রম বিভাগের নিকট মানুষের দাসসুলভ অধীনতা নিশ্চিহ্ন হবার পর, যখন সেই সঙ্গে লোপ পাবে মানষিক ও কায়িক শ্রমের বৈপরীত্য, যখন শ্রম কেবল জীবিকার্জনের উপায় না হলে নিজেই পরিণত হবে জীবনের প্রাথমিক চাহিদায় যখন ব্যক্তিসত্তার সর্বাঙ্গীন বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে উৎপাদনী শক্তিগলোও বেড়ে উঠবে এবং সামাজিক সম্পদের সমস্ত উৎস পূর্ণবেগে উৎসারিত হবে – কেবল তখনই সম্ভব
লেখক: মো:আনিসুর রহমান
সাধারণ সম্পাদক
সিপিবি,বিয়ানীবাজার উপজেলা।
প্রধান সম্পাদক. ফয়জুল হক শিমুল , সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মিসবাহ উদ্দিন।
বার্তা সম্পাদকঃ জাহিদ উদ্দিন। উপ-সম্পাদক ও ডাইরেক্টরঃ এম এ তাহের।
আইন উপদেষ্টাঃ এইচ এম শাকিল এডভোকেট, জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ঢাকা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: * সি-৮/৩০ বনশ্রী ঢাকা।
সিলেট অফিস: কমন মার্কেট (৫ম তলা ) বন্দর বাজার, সিলেট।
বিয়ানীবাজার অফিস: ছফর কমপ্লেক্স, দক্ষিণ বিয়ানীবাজার, সিলেট।
© ২০২৪ নিউজমিরর২৪.কম. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।